কূটনীতির পক্ষে সৌদি আরব

Europe is spending more on defense, issuing new warnings, and preparing its citizens for scenarios once confined to history books. With Russia’s war in Ukraine dragging on and transatlantic pressure mounting, the European Union insists it will be ready by 2030. But behind the strategies, funding plans, and rhetoric lies a harder question: is Europe truly prepared for war?https://www.msn.com/en-xl/news/other/is-europe-ready-for-war/ss-AA1Uuj58?ocid=msedgntp&pc=U531&cvid=6a75c2b67e6a42fda6304aada763d04c&ei=10#image=2কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার ইযুযুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ইতিবাচক’ বার্তার ইঙ্গিত দিল ইরানক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ইতিবাচক’ বার্তার ইঙ্গিত দিল ইরানরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বিজয়ী হবেন সত্য কিন্তু তিনি সূচনা করবেন নতুন স্মায়ু যুদ্ধ যা যুক্ররা্ষ্ট্রকে ভূগাবে সেসাভিয়ত যন্ত্রণা । তারে হারাম হবে রাতের ঘুম। ইরান যুদ্ধে তাই হারের চেয়েও বেশি হার হারতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে । বুদ্ধমানের কাজ হবে ইরান যুদ্ধে বড় ধরণের অআঘাত থেকে বিরত থেকে শান্তির দূতের ভূমিকা পালন করা যেমন পালন করতে যাচ্ছঢিলেন হামাসের সাথে ইসরাওলের প্রথম দফা বন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে। ভ্যাটিকানের পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে শান্তিতে নোবেল পুরসকআর দেওয়ার দাবী উঠে। এ দাবী বিশ্‌এর সব প্রান্ত থেকেও। কিন্তু অআজও দ্বিতীয়তম বন্দী বিনহনময় চুক্তি হয়নি। এখন দ্বিতীয়মার শান্তির পক্ষে অবস্থানের সুযোগ রয়েছে ট্রাম্পের যাকে বলা যেতে পারের শেষ সুযোগগ। অআমরা অআফগানিস্তান থেকে মাকর্কন সৈন্য প্রত্যাহারে ট্রাম্পের ঐতিহাসিক শান্তিবাদী ভূমিকার জন্য গভীর কৃতজ্ঞ যেমন জর্জ ডব্লিউ বুশের কাছে কৃতজঔঞ ইরাকের হাত থেকে কুয়েত উদ্ধারে অপারেশন ডেজার্ট স্ট্রমের মাধ্যমে কুয়েত মুক্ত করে। মিশন শেষেএ বাংলাদেশের উপদ্রুত এলাকায় অপারেশন সী এন্জলেন্স নাম ধারণ করে বাংলাদেশ উদ্ধার কর্ম নিয়োজিত হওয়ার জন্য। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এছাড়া পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গেও তার কথা হয়। এসব আলোচনায় আরাগচি উপসাগরীয় দেশগুলোকে ওয়াশিংটনের ওপর প্রভাব খাটিয়ে নতুন কোনো মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ ঠেকানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের পক্ষে সমর্থন দেওয়ার অনুরোধ করেন। কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এছাড়া পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গেও তার কথা হয়। এসব আলোচনায় আরাগচি উপসাগরীয় দেশগুলোকে ওয়াশিংটনের ওপর প্রভাব খাটিয়ে নতুন কোনো মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ ঠেকানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের পক্ষে সমর্থন দেওয়ার অনুরোধ করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ জুলাই ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দেওয়ার পর একাধিক উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে তেহরান এই বার্তা পৌঁছে দেয়। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরান সতর্ক করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে ওয়াশিংটনের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলোর তেলক্ষেত্র, শোধনাগার, বিদ্যুৎ গ্রিড, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, পরিবহন নেটওয়ার্কসহ গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালানো হতে পারে।রয়টার্সের এক জ্যেষ্ঠ আঞ্চলিক কূটনীতিক জানান, প্রতিটি আলোচনায় ইরান একই বার্তা দিয়েছে—আক্রমণের শিকার হলে তেহরান পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত, তবে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক সমাধানই তাদের অগ্রাধিকার। উপসাগরীয় অঞ্চলের এক সূত্র রয়টার্সকে জানায়, ইরানের বার্তাটি ছিল ‘স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন’। তেহরান পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, তাদের অবকাঠামোতে হামলা হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হবে। কূটনীতির পক্ষে সৌদি আরব রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, পরে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এ সময় তিনি সামরিক পদক্ষেপ বিলম্বিত করা, যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়া এবং আলোচনায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান। তবে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিলেও সৌদি আরব স্পষ্ট করেছে, কোনো হামলার শিকার হলে তারা নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। সৌদি রাজদরবারঘনিষ্ঠ বিশ্লেষক আলি শিহাবি বলেন, রিয়াদের বিশ্বাস, উত্তেজনা আরও বাড়লে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। তাই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও প্রয়োজনীয় সীমিত সামরিক প্রতিক্রিয়ার সমন্বয়ই সংকট সমাধানের সবচেয়ে কার্যকর পথ। ন্যাটোর আদলে সামরিক জোট গঠন করছে সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক, আজ চুক্তি সন্যাটোর আদলে নতুন একটি সামরিক জোট গঠনের লক্ষ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি করছে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৭ আগস্ট) সৌদি আরবের জেদ্দায় এ চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে।এএফপির প্রতিবেদনে সৌদি সামরিক বাহিনী ও সরকারের ঘনিষ্ঠ দুটি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে আলোচনা চললেও সাম্প্রতিক আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে প্রক্রিয়াটি দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগরে নৌপরিবহনেও প্রভাব পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ হিসেবে সম্ভাব্য এই প্রতিরক্ষা চুক্তিকে দেখা হচ্ছে।সূত্রগুলোর দাবি, চুক্তি স্বাক্ষরের আগে জেদ্দায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বৈঠকে বসবেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির ইতোমধ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন বলে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। তাদের সফর ৬ আগস্ট শুরু হয়ে ৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। অন্যদিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের শুক্রবার সৌদি আরবে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বলে তুর্কি প্রেসিডেন্সির দপ্তর জানিয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেই এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তার ভাষ্য, এই সফরের গুরুত্ব শুধু তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলায় নয়, বরং এর দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত তাৎপর্যও রয়েছেগত কয়েক মাস ধরেই সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য কৌশলগত জোট গঠনের বিষয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছিল। এদিকে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে বলে দেশটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে তুরস্কও গাজা পরিস্থিতি নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে সৌদি আরব ও পাকিস্তান পৃথক একটি দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি ঘোষণা করেছিল। সম্ভাব্য নতুন উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুগত কয়েক মাস ধরেই সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য কৌশলগত জোট গঠনের বিষয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছিল। এদিকে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে বলে দেশটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে তুরস্কও গাজা পরিস্থিতি নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে সৌদি আরব ও পাকিস্তান পৃথক একটি দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি ঘোষণা করেছিল। সম্ভাব্য নতুন উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। তবে সম্ভাব্য নতুন সামরিক জোটের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তিন দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক যৌথ ঘোষণা তখনও প্রকাশ করা হয়নি।ন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। তবে সম্ভাব্য নতুন সামরিক জোটের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তিন দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক যৌথ ঘোষণা তখনও প্রকাশ করা হয়নি।।ইঅবকাঠামোকে কেন্দ্র করে নতুন শঙ্কা রয়টার্স জানায়, ইরানের এই সতর্কবার্তা সব উপসাগরীয় দেশের জন্য প্রযোজ্য হলেও মূলত সৌদি আরব ও কাতারের মাধ্যমে তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। একজন ইরানি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থাটিকে বলেন, ইরানের অবকাঠামোতে হামলা হলে তেহরান উপসাগরীয় অঞ্চলের বিদ্যুৎ গ্রিড, তেল শোধনাগার ও অন্যান্য কৌশলগত স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করবে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের নেতারা দীর্ঘদিন ধরেই উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছেন এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর গোয়েন্দা সহযোগিতারও বিরোধিতা করে আসছেন। রয়টার্সের মতে, ইরানি কর্মকর্তারা মনে করছেন, ট্রাম্প এখন এমন এক সিদ্ধান্তের মুখে রয়েছেন যেখানে তাকে হয় এমন একটি সংঘাতের দিকে এগোতে হবে যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটাতে পারে, অথবা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ বেছে নিতে হবে।‘খুব শিগগির শেষ হবে যুদ্ধ’, আশাবাদ ট্রাম্পের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে, তারা আমাদের সম্মান করে। সেইসঙ্গে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর চেয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে বেশি আগ্রহী বলেও জানান। বিশেষ সম্পাদকীয়স্থানীয় সময় বুধবার (৫ আগস্ট) লাস ভেগাসে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি মানুষ হত্যা করতে চাই না। তাই যুদ্ধের বদলে একটি চুক্তি করতে চাই।' তিনি আরও দাবি করেন, তার প্রশাসন ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় হামলা’ চালানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে ইরানের কর্মকর্তারা আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করায় সেই পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়। ট্রাম্পের ভাষায়, তারা আমাকে ফোন করে বলেছিল, ‘দয়া করে হামলা করবেন না, আসুন কথা বলি।’ এখন তারা বলছে, ‘আমরা এমন কিছু বলিনি।’ কিন্তু ভুয়া সংবাদমাধ্যমও জানে তারা বলেছিল। যাই হোক, এখন আলোচনা চলছে। দেখা যাক কী হয়। তারা আমাদের সম্মান করে।’তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া হবে না।’ তেলের বাজার নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে ঘিরে বর্তমান অচলাবস্থার অবসান হলে তেল ও জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে দাম কমিয়ে আনছি। ইরান-সংকট শেষ হলেই তেলের দাম অনেক নিচে নেমে যাবে, পেট্রলের দামও কমে যাবে।’ গত ১৮ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি কাঠামোগত চুক্তি সই করে চূড়ান্ত সমঝোতার লক্ষ্যে আলোচনা শুরু করেছিল। তবে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ও অবাধ নৌ-চলাচলের নিশ্চয়তা নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় সেই আলোচনা পরে স্থবির হয়ে পড়েগত মাসে উত্তেজনা আবারও বেড়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভেতরে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতসহ কয়েকটি আরব দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানোর দাবি করে।https://www.jugantor.com/international/1136757যুদ্ধ নয়, ইরানের সঙ্গে চুক্তিই চাই: ট্রাম্পমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর চেয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে বেশি আগ্রহী। তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে সামরিক পদক্ষেপের পথও খোলা রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।স্থানীয় সময় বুধবার (৫ আগস্ট) লাস ভেগাসে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি মানুষ হত্যা করতে চাই না। তাই যুদ্ধের বদলে একটি চুক্তি করতে চাই।’ যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান উভয়কে যুদ্ধের ভবিষ্যৎ পরিণতি নিয়ে ভাবতে হবে। কারণ, এই যুদ্ধের অবসান যেন তেন প্রকারে সম্পন্ন হলে ভবিষ্যৎ সংকটে উভয়কে পড়তে হবে। কারণ, বিশ্বে তৃতীয় শক্তির বাস্তবতা অনস্বীকার্য। স্মায়ু যুদ্ধ আবারও ফিরে আসাকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানকে একটা সন্মানজনক মীমাংসায় উপনীত হতে হবে। ইরানের রাষ্টীয় নীতিতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি হারাম সাব্যস্ত। তাই যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগকে মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য আন্তর্জাতিক আদালতের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি জরুরী। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে। অস্ত্র শক্তিতে পৃথিবীর শান্তি,সমৃদ্ধি, অগ্রগতি নেই, শান্তি নিহিত রয়েছে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে। অস্ত্রবলে আফগানিস্তান দখলে সোভিয়েত ইউনিয়ন এই মর্মে অনুশোচনা করেছিল যে, অআফগানিস্তান দখল করে অআমরা পাপ করেছি (মিখাইল গর্বাচেভ)। সেই পাপের পরিণতিতে বলা যায় সোভিয়েত ইউনিয়ন সুপ্রীম কাউন্সিলের এক ঘোষণায় সোভিয়েত রাষ্ট্রের বিলুপ্তির মাধ্যমে কার্যতঃ আত্মহত্যা করেছিল। ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্র অআফগানিস্তান ২০০৩ সালে ইরাক দখল করে সময়, অর্থ, অস্ত্রের ক্ষতি ছাড়া লাভালাভ কিছুই হয়নি। ইরানকে পরাজিত করলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য স্মায়ু যুদ্ধের দ্বার আবারও খুলে যাবে। কারণ, মুসলিম বিশ্বের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অআর ক্ষেত্র থাকবে না। অনিবার্যভাবে চীন-উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম, কিউবা,রাশিয়ার সম্মিলিত শক্তির মুখোমুখে হতে হবে। সোভিয়েত অআমলের ন্যায় মুসলিম বিশ্বকে যুক্তরাষ্ট্র সহায়ক শক্তিরূপে অআবারও পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কমই বলা চলে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র দূর্বল হয়ে পড়লে ইউরোপীয় মিত্রশক্তি ছাড়াও মুসলিম বিশ্ব ীন-উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম, কিউবা,রাশিয়ার হুমকি মোকাবিলা করে সুদূর আটলান্টিক মহাসাগরের ওপারে দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সহায়ক শক্তি হওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে।এই বাস্তবতায় ইরানের উঠে দাঁড়ানো হবে দীর্ঘমেয়াদী বিষয়। ীন-উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম, কিউবা,রাশিয়ার বলয়ে ইরান হয়ে পড়তে পারে চরমভাবে কোণঠাসা। তাই যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সন্মানজনক কূটনৈতিক সমাধানই হচ্ছে পৃথিবীতে উভয় দেশের অস্তিত্ব রক্ষার শেষ উপায়, শেষ অবলম্বন। মহান অআল্লাহ উভয় দেশকে সহীহ বুঝ দান করুন। ওয়ামা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহ।ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছেন ট্রাম্পের শীর্ষ জেনারেল, সীমিত হয়ে পড়েছে সামরিক বিকল্পইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার একটি কূটনৈতিক পথ খুঁজে বের করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। মার্কিন সামরিক বাহিনীর হাতে যুদ্ধ আরও বাড়ানোর যে বিকল্পগুলো রয়েছে, সেগুলো উল্টো ক্ষতি ডেকে আনতে পারে বলে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে ব্যক্তিগতভাবে সতর্ক করেছেন।বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্রের বরাতে সিএনএন জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহে কেইন স্পষ্ট করে বলেছেন, ইরান যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘বের হওয়ার পথ’ বা অফ-র‍্যাম্প খুঁজে বের করা প্রয়োজন। তার আশঙ্কা, শুধু বিমান হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নাও হতে পারে।একটি সূত্র সরাসরি বলেছে, ‘কেইন একটি বের হওয়ার পথ খুঁজছেন।’ জেনারেল কেইন একা নন। সিআইএর পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার সঙ্গেও তিনি যুদ্ধের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছেন। সূত্রগুলোর মতে, এসব আলোচনার উদ্দেশ্য ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অবস্থান সমন্বয় করা এবং সামরিক বিকল্পগুলোর সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি তুলে ধরা। এক সূত্রের ভাষ্য, কেইনের এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সামরিক বাহিনীকে রক্ষা করা। ‘বিমান শক্তিরও সীমাবদ্ধতা আছে’ ট্রাম্প বারবার ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর বদলে বিমান হামলার মাধ্যমে তেহরানকে তার শর্তে চুক্তিতে বাধ্য করা সম্ভব। তবে কেইনসহ প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা ব্যক্তিগত আলোচনায় মনে করছেন, এমন ফলাফল পাওয়ার সম্ভাবনা কম। গত মাসের শেষ দিকে আইনপ্রণেতাদের সামনে এক শুনানিতে কেইন নিজেই বলেছিলেন, ‘বিমান শক্তির সীমাবদ্ধতা রয়েছে।’ সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাইয়ের শেষ দিকে ইরানে আরও বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হলেও কেইন ও প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা এর সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। ওই পরিকল্পনায় বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর কথা বিবেচনা করা হয়েছিল। একটি সূত্রের দাবি, ওই অভিযানের পক্ষে মূলত সেন্ট্রাল কমান্ডের কিছু অংশ ছিল। ইসরাইলও সামগ্রিকভাবে সংঘাত আরও বাড়ানোর পক্ষে ছিল বলে সূত্রটি জানায়। শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর ট্রাম্প হামলা থেকে সরে আসেন। এসব দেশ ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা, বিশেষ করে তাদের জ্বালানি অবকাঠামোয় আঘাতের আশঙ্কা জানিয়েছিল। ইরান যেকোন রাষ্ট্রের বিরুদধে সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের স্বপ্ন দেখতে পারে না ইসলামী প্রজাতন্ত্র হিসাবে। ইসমালেরম ইতিহাস সীমিত শক্তি নিয়ে কেবল অআত্‌মরক্ষার সামরিক নীতি অবলম্ন করে শ্ শক্তির শ্রেষ্ঠত্ব নয় অআদর্শের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে হবে জ্ঞানের অআলেআকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র অবলম্বন করে। কারণ শক্তি পশুতএর প্রতীক, জ্ঞান মনুষ্যতে্যর প্রতীক। তোমরা অআহলি কিতাবীদের সাথে সদ্ব্যবহার করো অআল কুরঅআন-এই মনে রাখতে হবে যতৌ অআমাদের মধ্যে দ্বন্দ্ থাকুক না না কেন অআমরা অআব্রাহীমী ভাই। জায়নবাদ অআর হুওউদী বাদ এক নযয়। ইহুদডী-খৃষ্টান ধর্ম যা বর্তমান ইসলামেরই ধারাবাহিকতারই ফসল। তাই অআজকের যে অস্বাভাবিক সময়ের যাতে অআমরা মুল ইতিহাস ঐতিহ্য ভুলে না যাই। যেমন পেআাপ মৃত্যুর শেষ জীবনে এই সষ্পর্ক বার বার উচ্চাররণ করে গেএন গাজা যুদ্ধে মুসলমানদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তার মৃত্যুতে মুসলিমম বিশ্ব গভীর শোক প্রকাশ করে।। অআমরা বিশেষষ সআরক প্রকাশ করি। মনে রাখতে হবে ব্যক্তি বিশেষ জাতির প্রকৃতিনিধ নাও হতে পারে, রাষ্ট্রের প্রতীক নাও হতে পারে। ব্যক্তি থাকবে না, রাষ্ট্র থাকবে ,জাতি থাকবে। তাই ব্যক্তির কারণে দেশ জাতির প্রতি বিরূপ অবসআথান ভবিষ্যতে তো দূরের কথা বর্তমানেও ধারণ করা যাবে না। যারা বর্তমানে প্রতিকূল অবস্থানে রয়েছে তারা নৈতিক ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ, মুসলমান এখন বিশ্ব সহানুভূতির এক স্বর্ণ যুগ অতিবাহিত করছে রক্তের বিনিময়ে। যারা রক্ত দিয়েছে তারদের জন্য পবিত্র হাদীসে সুসংবাদ রয়েছে এ কারণে অআমাা গাজা যুদ্ধের সময় বিশেষ স০্যায় লিখখেছিলাম গাজার মাটির উপর নরক, নীচ জান্নাত।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

The science-policy imperative in the final stretch to 2030 and beyond

Any support whether through donating, sharing our campaign, or keeping us in your prayers can make a real difference for us during this difficult time. If you are able to help or share, here is our campaign link: https://gogetfunding.com/from-death-to-life-evacuate-my-family-from-gaza/

Israeli Airstrike Destroys Al-Muttaqin Mosque Near Gaza Displacement Camp