ইরানে হামলার পরিকল্পনা বাতিল করলেন ট্রাম্প

ইরানে হামলার পরিকল্পনা বাতিল করলেন ট্রাম্প ইরানে হামলার পরিকল্পনা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর শর্তে তিনি ইরানের ওপর পরিকল্পিত সামরিক হামলা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান ট্রাম্প। পোস্টে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নজিরবিহীন মাত্রার সামরিক শক্তি প্রয়োগের জন্য প্রস্তুত ছিল। তবে তিনি বলেন, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে হামলা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে, কারণ একটি সম্ভাব্য চুক্তির মৌলিক কাঠামো বা রূপরেখা নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। আরও পড়ুন চলতি সপ্তাহেই ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, সম্ভাব্য ওই চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত রাখা হবে এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকির অবসান ঘটানো হবে। তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের কল্যাণ এবং একটি সফল ও সমৃদ্ধ ইরানের স্বার্থে আমি হামলা বাতিল করতে সম্মত হয়েছি, তবে শর্ত হলো দ্রুত একটি চুক্তি সম্পন্ন হতে হবে।’ ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইসরাইলও এই সিদ্ধান্তে তার সঙ্গে একমত হয়েছে। পোস্টে শেষে তিনি বলেন, ‘সবাই কাজে নেমে পড়ুন এবং দ্রুত চুক্তিটি সম্পন্ন করুন। ধন্যবাদ।’ তবে ট্রাম্পের এই দাবির বিষয়ে ইরান বা ইসরাইলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা https://www.jugantor.com/international/1134946 নিউটনের তৃতীয় সূত্রমতে, গাজা এবং ইরানের ঘটনার একটি বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া অবশ্যই থাকার কথা। কারণ, ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না। অতীতে অনেক সমৃদ্ধ সামাজ্য আজ ইতিহাসে অতীত। তাই ইতিহাস থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান উভয়কে শিক্ষা নিতে হবে। ইরান ইসলামী প্রজাতন্ত্রের দাবীদার হওয়ায় দায়িত্বশীলতা কম নয়। কারণ,ইসলাম শান্তির ধর্ম, শান্তিবাদের নাম ইসলাম। শান্তিবাদীর নাম মুসলিম। জ্ঞান মানুষকে পরিণামদর্শী হতে শেখায়। তাই আমাদেরকে জ্ঞানের আলোকে সকল সমস্যার সমাধানে যত্নশীল হতে হবে। কারণ,সোভিয়েত ধাঁচের তৃতীয় শক্তির সম্ভাব্য উত্থানের বাস্তবতা বর্তমান প্রেক্ষাপটে অনস্বীকার্য। সোভিয়েত সুপ্রীম কর্তৃক এক ঘোষণায় সোভিয়েত ইউনিয়নের অবসান ঘটলেও সোভিয়েত রাশিয়ার অবসান ঘটেনি যা অনস্বীকার্য। কেবল সোভিয়েত শব্দটি অতীত হয়েছে যা ভারসাম্যের নামে পুনরুজ্জীবনের ক্ষীণ দাবী উঠেছে সম্প্রতি। এই পুনরুজ্জীবনে ইরানের প্রত্যক্ষ ভূমিকাতো দূরের কথা পরোক্ষ ভূমিকাও কাম্য নয় মর্মে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত। সোভিয়েত পরবর্তী যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্বশীলতা ছিল অনেক। কারণ, একক পরাশক্তি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রই টিকে থাকে। কারণ, চীনে তারও অআগে মাওবাদের অবসান ঘটে এবং চীন নয়া অর্থনৈতিক অর্ডার নিয়ে বিশ্বে অআবির্ভূত হলে ধারণা করা হয় চীনা সমাজতন্ত্রের অআমূল পরিবর্তন ঘটেছে। সুতরাং যুক্তরাষ্ট্রই একক পরাশক্তিধর। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, সোভিয়েত শব্দ বিলুপ্ত হলেও রাশিয়া ঠিকই নেটোর প্রতিপক্ষ রূপে টিকে অআছে। শুধু তা-ই নয়, অস্ত্র ভান্ডার সোভিয়েত অআমলের অস্ত্র ভান্ডার ঠিকই মওজুদ রয়েছে এবং সোভিয়েত অআমলের মতই পরাশক্তির অআচরণ করছে। অন্যদিকে নয়া অআন্তর্জাতিক অর্থনীতির কথা বল্লেও চীনও ঠিক সমাজতান্ত্রিক অর্থ ব্যবস্থা চালু রেখেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়া বিপদরূপে দেখা দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এটা বলা অত্যুক্তি হবে না যে, সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হয়েছে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অবয়বে আর যুক্তরাষ্ট্রের পতন ঘটেছে নৈতিকতার অবয়বে যার শুরু হয়েছিলঃ একমাত্র পরাশক্তিধর হিসাবে বসনিয়ার গণহত্যায় নীরব ভূমিকা পালন অথচ বছর কয়েক আগে ইরাক কর্তৃক কুয়েত দখলের পর জর্জ বুশ তাৎক্ষণিক বহুজাতিক বাহিনী গঠন করে অপারেশন ডেজার্ট স্ট্রর্ম নামে সফল উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন করে বিশ্বে ভূয়শি প্রশংসা লাভ করে। শুধু তাই নয় স্বদেশ ফেরার পথে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে উদ্ধার বাহিনী হিসাবে অপারেশন সী এন্জেলেন্স নাম ধারণ করে অনন্য অসাধারণ ভূমিকা পালন করে। এ প্রতিবেদকের সাথে মার্কিন সৈন্যদের সরাসরি সাক্ষাতের সুযোগ ঘটে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পতেঙ্গায়। কিন্তু স্মায়ু যুদ্ধের অবসানের পর মুসলিম বিশ্বের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতির মৌলিক পরিবর্তন ঘটে যার কারণে কুয়েত উদ্ধারের মতো বসনিয়া উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে আসে নি। শুধু তাই নয়, একটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের ন্যায় অন্যায় নির্বিশেষে সকল পর্যায়ে অন্ধভাবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভেটোস্ত্র প্রয়োগের কারণে একটি বেপরোয়া জাতির উত্থানে যুক্তরাষ্ট্র অগ্রনীয় ভূমিকা পালন করে যার ফলে এখন যে খেসারত দেওয়া হচ্ছে তাতে একক পরাশক্তির মান সস্মান আজ প্রশ্নের মুখে এবং বিশ্বে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে আবারও সোভিয়েত ধাচের পরাশক্তির প্রয়োজনীয় অনুভব করছেন বিশ্ববাসীর কেউ কেউ। এটা কি যুক্তরাষ্ট্রবাসীর কামনা-বাসনা? প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

The science-policy imperative in the final stretch to 2030 and beyond

Any support whether through donating, sharing our campaign, or keeping us in your prayers can make a real difference for us during this difficult time. If you are able to help or share, here is our campaign link: https://gogetfunding.com/from-death-to-life-evacuate-my-family-from-gaza/

Israeli Airstrike Destroys Al-Muttaqin Mosque Near Gaza Displacement Camp