বিজ্ঞান জগতে নতুন কী ঘটল? দেখে নিন একনজরে
ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ হলো একটি নিয়মিত প্রকাশনা বা বুলেটিন যা ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং সমসাময়িক বিষয়গুলো তুলে ধরে। মুহাম্মদ শেখ রমজান হোসেন-এর সম্পাদনায় এর বেশ কয়েকটি সংস্করণ লিংকডইন (LinkedIn)-এ প্রকাশিত হয়েছে।এই নিউজলেটারগুলোতে সাধারণত যে বিষয়গুলো আলোচনা করা হয় তার মধ্যে রয়েছে:ইসলামী দর্শনে বিজ্ঞানের চর্চা এবং বিজ্ঞানীদের দৃষ্টিভঙ্গি।মধ্যযুগে মুসলিম বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন ঐতিহাসিক অবদান ও আবিষ্কার।বৈশ্বিক প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং সমসাময়িক খবরাখবরের বিশ্লেষণ। https://www.linkedin.com/pulse/ইষটরণ-ইসলমক-সয়নস-টক-নউজ-চতরথ-সসকরণ-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yct2c/
https://www.google.com/searchq=ইষ্টার্ণ+ইসলামিক+সায়েন্স+টেক+নিউজ&oq=&gs_lcrp=EgZjaHJvbWUqCQgBECMYJxjqAjIJCAAQIxgnGOoCMgkIARAjGCcY6gIyCQgCECMYJxjqAjIJCAMQIxgnGOoCMgkIBBAjGCcY6gIyCQgFECMYJxjqAjIJCAYQIxgnGOoCMgkIBxAjGCcY6gLSAQ00MzI4Nzc1ODBqMGo3qAIIsAIB8QUxQSyA3MCN9A&sourceid=chrome&ie=UTF-
8 জিনবিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী ও তাঁর দল কারভুলেরিয়া ফাঙ্গি (Curvularia Fungi) নামে এক বিশেষ ধরনের প্রাকৃতিক ছত্রাক উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। এটি গবাদিপশুর হজম প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন মিথেন গ্যাস ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে সক্ষম। ২০২৫ সালের মার্চে নেদারল্যান্ডসের বায়োটেকনোলজি রিপোর্টস জার্নালে প্রকাশিত হয় গবেষণাপত্রটি।
পৃথিবী দিন দিন গরম হয়ে উঠছে। এর প্রধান কারণ বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। এর জন্য দায়ী বিভিন্ন গ্রিনহাউস গ্যাস। কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন এবং জলীয় বাষ্পের মতো গ্যাস পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আটকে যায়। এগুলো সম্মিলিতভাবে গ্রিনহাউস গ্যাস হিসাবে পরিচিত। এসব গ্যাসের কারণেই পৃথিবীর দিন দিন উষ্ণ হয়ে উঠছে। এর মধ্যে অন্যতম মিথেন গ্যাস। অনেক ব্যাকটেরিয়া প্রাকৃতিকভাবে মিথেন তৈরি করে। এই ব্যাকটেরিয়া জলাভূমি ও প্রাণীদের অন্ত্রে বাস করে। তবে মিথেন আসে গবাদিপশু, অর্থাৎ গরু, ছাগল আর মহিষের পেট থেকে। জাবর কাটা এই প্রাণীগুলোর হজম প্রক্রিয়ার সময় ঢেকুর, নিঃশ্বাস ওবিজ্ঞান জগতে নতুন কী ঘটল? দেখে নিন একনজরেhttps://www.bigganchinta.com/others/4m2dq2puka২. বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরীর নতুন প্রযুক্তিবর্জ্য ত্যাগের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ মিথেন গ্যাস নিঃসরণ করে।
বৈশ্বিকভাবে প্রতিবছর এ ধরনের গবাদিপশু থেকে নির্গত হয় প্রায় ১০০ মিলিয়ন টন মিথেন। বাংলাদেশের গবাদিপশু খাত থেকেও প্রতিবছর প্রায় ৩০ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইডের সমতুল্য মিথেন নির্গত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, সঠিক প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গবাদি পশু থেকে মিথেন নির্গমন ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব।৩. প্রথম এআই হাসপাতাল চালু হলো চীনেএ সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে দেখুন: ক্ষতিকর মিথেন নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরীর নতুন প্রযুক্তি।
স্বাস্থ্যসেবায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত হাসপাতাল চালু করেছে চীন। হাসপাতালটির নাম দেওয়া হয়েছে এজেন্ট হাসপাতাল। ভার্চুয়াল এই মেডিকেল সেন্টারটি বানিয়েছে চীনের চিংহুয়া ইউনিভার্সিটি। এই মেডিকেল সেন্টারে কাজ করছে ১৪ জন এআই ডাক্তার এবং ৪ জন এআই নার্স।
এজেন্ট হাসপাতাল বিশ্বের প্রথম হাসপাতাল যেখানে কোনো ডাক্তারের সহায়তা ছাড়াই রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে রোগীদের। এই হাসপাতাল মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ১০ হাজার রোগীকে সহায়তা দিতে পারবে। এই পরিমাণ রোগীকে সেবা দিতে সাধারণ ডাক্তারদের বছরের পর বছর সময় লাগে। চীনা গবেষকরা আশা করছেন, যে সব দেশে জনসংখ্যা বেশি, সে সব দেশে এই পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
এআই ডাক্তাররা দ্রুত সেবা দেওয়ার পাশাপাশি নির্ভুলভাবে চিকিৎসা করতে পারবে। লার্জ ল্যাংগুয়েজে মডেল (LLM) ব্যবহার করছে এআই ডাক্তাররা। এজেন্ট হাসপাতালের এআই ডাক্তাররা যুক্তরাজ্যের মেডিকেল লাইসেন্সিং পরীক্ষায় ৯৩ শতাংশের বেশি স্কোর করেছে, যা অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের রোগ নির্ণয়ের সক্ষমতার প্রায় কাছাকাছি। রোগীর চিকিৎসার বাইরেও এজেন্ট হাসপাতাল এআই শিক্ষার্থীদের জন্য একটা অত্যাধুনিক ভার্চুয়াল প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে দেখুন: চীনে চালু হলো প্রথম এআই হাসপাতাল।৪. সীসাকে স্বর্ণে পরিণত করলেন বিজ্ঞানীরা৪. সীসাকে স্বর্ণে পরিণত করলেন বিজ্ঞানীরা৪.সুইজারল্যান্ডের লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারের পদার্থবিজ্ঞানীরা অ্যালিস নামে একটি পরীক্ষায় চালান। বিজ্ঞানীরা সীসার পরমাণু একে অপরের দিকে তীব্র গতিতে ছুঁড়ে মারেন। উদ্দেশ্য ছিল বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের ঠিক পরের অবস্থার একটা প্রতিরূপ তৈরি করা। এই সংঘর্ষে সবসময় সরাসরি ধাক্কা লাগে না। বেশিরভাগ সময় সীসার পরমাণুগুলো খুব কাছ দিয়ে চলে যায়। একে বলে নিয়ার-মিস বা প্রায় সংঘর্ষ হওয়া। এমন পরিস্থিতিতে কণাগুলো একে অপরের প্রতি প্রবল বিদ্যুৎচুম্বকীয় বল প্রয়োগ করে। প্রায় সংঘর্ষের সময় প্রচণ্ড বিদ্যুৎচুম্বকীয় বলের প্রভাবে কোনো পরমাণুর প্রোটন বেরিয়ে যেতে পারে। আর ঠিক তিনটি প্রোটন বেরিয়ে গেলেই সীসার পরমাণু বদলে যাবে স্বর্ণে! অ্যালিস পরীক্ষার সময় বিজ্ঞানীরা হিসাব করে দেখেছেন, প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ৮৯ হাজার স্বর্ণের পরমাণু তৈরি হচ্ছে। সঙ্গে তৈরি হচ্ছে থ্যালিয়াম আর পারদ। সীসা থেকে একটা পরমাণু কমলে তৈরি হয় থ্যালিয়াম, আর দুটি৫. নাসার নতুন টেলিস্কোপ তৈরি করছে মহাকাশের ত্রিমাত্রিক ম্যাপসম্পূর্ণ মহাকাশের ত্রিমাত্রিক ম্যাপ তৈরি করছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এ জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে স্পিয়ারএক্স টেলিস্কোপ। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গত ১ মে থেকে টেলিস্কোপটি মহাকাশের ছবি তোলা শুরু করেছে। টেলিস্কোপটি আগামী দুই বছর প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ৬০০টি করে ছবি তুলবে। এই সময়ের মধ্যে অন্তত ২৬ লাখ ২৮ হাজার ছবি তুলতে পারবে টেলিস্কোপটি। এভাবে বিশাল মহাবিশ্বের কোটি কোটি গ্যালাক্সি ও মহাকাশীয় বস্তুর ছবি তুলে বানানো হবে ত্রিমাত্রিক ম্যাপ।
বর্তমানে টেলিস্কোপটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার উঁচুতে রয়েছে। স্পিয়ারএক্স টেলিস্কোপটি আমাদের গ্রহের চারপাশে উত্তর থেকে দক্ষিণে ঘুরতে থাকবে। প্রতিদিন প্রায় ১৪.৫ বার পৃথিবীরচারপাশে ঘুরবে। ঘোরার সময় আকাশের একটা নির্দিষ্ট অংশের অংশের ছবি নেবে। এতে মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই স্পিয়ারএক্স পুরো মহাকাশের অন্তত একবার ছবি তুলতে পারবে।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে দেখুন: মহাকাশের ত্রিমাত্রিক ম্যাপ তৈরি করছে নাসার নতুন টেলিস্কোপ।৬. বিশ্বের বৃহত্তম সোলার টেলিস্কোপের তোলা ছবিবিশ্বের বৃহত্তম সোলার টেলিস্কোপের তোলা সূর্যের নতুন ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। এই ছবিতে সূর্যের পৃষ্ঠকে অভূতপূর্ব কাছ থেকে দেখা যাচ্ছে। ছবিটির আগুনেপৃষ্ঠ দেখে মনে হচ্ছে আগুনের চোখ। বিজ্ঞানীরা ছবিটি তুলেছেন মার্কিন জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন ড্যানিয়েল কে. ইনোয়ে সোলার টেলিস্কোপের নতুন ভিজিবল টিউনেবল ফিল্টারের (ভিটিএফ) সাহায্যে। টেলিস্কোপে যুক্ত করা পঞ্চম ও সবচেয়ে শক্তিশালী যন্ত্র এটা। এটাই এই টেলিস্কোপের তোলা প্রথম ছবি।
বিশ্বের বৃহত্তম সোলার টেলিস্কোপ সূর্যকে দেখছে যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপ থেকে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভিটিএফ সূর্যের পৃষ্ঠে কী ঘটছে তার একটি ত্রিমাত্রিক দৃশ্য তৈরি করতে পেরেছে। ছবিতে সূর্যের ভেতরের দিকের বায়ুমণ্ডল ঠিক কেন্দ্রের কাছাকাছি কিছু অন্ধকার দাগ দেখা গেছে। এই দাগগুলোকে বলা হয় ‘সানস্পটস’। প্রতিটি দাগ এত বড় যে সেগুলোর আকার প্রায় পৃথিবীর একেকটি মহাদেশের সমান। ছবির প্রতি পিক্সেল প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকার। বিজ্ঞানীরা জানান, টেলিস্কোপটি ৪৪ বছর ধরে কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এটি সূর্যের প্রায় ১১ বছরের সৌর চক্রের চারটি পর্যায় পর্যবেক্ষণ করবে। ওপরের ছবিতে সৌরপৃষ্ঠে যে বিশাল সানস্পটস দেখা যাচ্ছে, এর বিস্তার ৬২৫ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার।
লেখক: আসহাবিল ইয়ামিন
প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৫, ১৮: ০০শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ
সূত্র: সায়েন্স এলার্ট, নেচার, ওয়ার্ল্ড ডে হেলথ, ইনহেলথ একাডেমি, দ্য কনভার্সেশন, পপুলার সায়েন্স, লাইভ সায়েন্স, সিএনএন, নিউ সায়েন্টিস্ট, বিবিসি সায়েন্স, বিজ্ঞানচিন্When you learned about the history of human evolution in school, there's a good chance you were shown one all-too-familiar image.
That picture probably showed a conga line of human-like creatures, from a primitive ape at one end to a modern man proudly strolling into the future at the other. তাIf evolution is real, why are there still monkeys? Scientists reveal the surprising answerFor many people, this iconic image captures evolution's slow but inevitable march from the simple to the complex.
But it also raises a puzzling question: If this really is how evolution works, then why are there still monkeys and apes?
Surely, if humans evolved out of primates, there's no reason that so many species should have remained so primitive.
While it might be easy to dismiss this as a trivial question, the answer actually reveals a fascinating detail of our shared evolutionary history.
In fact, it uncovers what scientists have called a 'widespread and persistent misconception' about the nature of human evolution.
So, Daily Mail asked some of the leading experts to explain why we might need to rethink our place in the evolutionary lineup. f evolution is real, why are there still monkeys?
One common view of evolution is that it is a linear process which takes primitive species and slowly brings them closer to perfection.
Unfortunately, this is a greatly simplified perception of how evolution really works.
Professor Ruth Mace, an expert on human evolution from University College London, told Daily Mail: 'Think of the evolutionary process as tree-like. All living species are at the tips of the branches.
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন