UFO : ALIEN আপেক্ষিক তত্ত্বমতে, কৃষ্ণগহ্বরের কেন্দ্রে রয়েছে সিঙ্গুলারিটি বা পরম বিন্দু।

Where are UFOs reported the most? ©Getty Images UFOs have long been synonymous with extraterrestrial life. Every year, thousands of people around the world report seeing strange things flying through the air, and recent trends have shown that this number is actually increasing due to heightened public interest. But some nations truly take the cake in how many sightings are reported. While most countries across the planet have only a few UFO reports, there are others where entire databases are overflowing with them. So, which countries have seen the most UFOs? Click on to find out. https://www.msn.com/en-xl/lifestyle/other/where-are-ufos-reported-the-most/ss-AA1ZIMmK?ocid=winp1taskbar&cvid=6a62341f004342c9bb226e9937189ad1&ei=24#image=1 আপেক্ষিক তত্ত্বমতে, কৃষ্ণগহ্বরের কেন্দ্রে রয়েছে সিঙ্গুলারিটি বা পরম বিন্দু। এই বিন্দুতে পদার্থের ঘনত্ব এতই বেশি যে সেখানে মহাকর্ষ ক্ষেত্র অসীম। আক্ষরিক অর্থেই ব্যাপারটা মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো। কারণ, এখানে স্থান-কাল এমনভাবে বিকৃত হয়ে যায় যে তা বোধগম্য হয় না। এ রকম পরম বিন্দুর অস্তিত্বের ব্যাপারে সাধারণ আপেক্ষিকতায় কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু কোয়ান্টাম মেকানিকসের বিরোধী। কোয়ান্টাম মেকানিকসের নীতি অনুসারে, কোনো একক বিন্দুতে (পরম বিন্দুর মতো) যেকোনো কিছুকে আলাদা করা অসম্ভব। কারণ, সেখানে সব সময় কিছু না কিছু অনিশ্চয়তা থেকে যায়। কাজেই এই পরিস্থিতিতে দুটি তত্ত্বের একটি অকার্যকর হয়ে যায়। যদি জানা যেত কৃষ্ণগহ্বরের ভেতরে আসলে কী ঘটে, তাহলে কোয়ান্টাম মেকানিকস এবং মহাকর্ষকে একত্রে জোট বাঁধার জন্য কিছু ক্লু হয়তো পাওয়া যেত। দুর্ভাগ্য হলেও সত্যি, সরেজমিনে কৃষ্ণগহ্বর পরিদর্শন করা কিংবা সেখানে গিয়ে সশরীর টিকে থাকা, পরীক্ষাটা সম্পন্ন করা, তারপর ফলাফলটা ঝুলিতে ভরে কৃষ্ণগহ্বরের অতি শক্তিশালী মহাকর্ষকে পাশ কাটিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসা এখন পর্যন্ত অসম্ভব। তবে এসব ব্যবহার করে গ্র্যাভিটন আবিষ্কার করা না গেলেও কৃষ্ণগহ্বরের সংঘর্ষ থেকে অনেক কিছুই জানা যায়। কারণ, মৃত্যুচুম্বনের জন্য পরস্পরের দিকে সর্পিল গতিতে ধেয়ে আসা কৃষ্ণগহ্বরের সংঘর্ষ থেকে জন্ম হয় মহাকর্ষ তরঙ্গের। গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ বা মহাকর্ষ তরঙ্গ হলো ত্বরণপ্রাপ্ত ভরের কারণে সৃষ্ট স্থানের ভেতর মৃদু ঢেউ। গোসলের সময় বাথটাবে বা কোনো শান্ত পুকুরের পানিতে হাত রাখলে, চারদিকে যেমন ছোট ছোট ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে, স্থানের ভেতর দিয়ে মহাকর্ষ তরঙ্গও অনেকটা সেভাবে ছড়িয়ে পড়ে। অতিভারী বস্তুগুলো স্থানের ভেতর চলাচল করলেও ঠিক একই ঘটনা ঘটে। এই চলমান ভর খোদ স্থানকেও বাঁকিয়ে দিতে পারে। তা এমন এক উত্তেজনা বা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে, যা তরঙ্গের মতো চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে। মজার ব্যাপার হলো মহাকর্ষ তরঙ্গ তার চলার পথে সামনে যা পায়, তাকেই সংকুচিত ও প্রসারিত করতে করতে এগিয়ে যায়। তাই মহাকর্ষ তরঙ্গের সামনে একটি বৃত্ত পরিণত হয় উপবৃত্তে, বর্গ পরিণত হয় আয়তক্ষেত্রে। কথাটা শুনতে মজার মনে হচ্ছে তাই না? এই বইটা পড়ার সময় কোনো মহাকর্ষ তরঙ্গ যদি আপনার দেহ ও বইটাকে ভেদ করে চলে যায়, তাহলে দুটির আকৃতিই বিকৃত হয়ে যাবে। কিন্তু আপনি তা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারবেন না। একেবারে ভুতুড়ে ব্যাপার! আসলে মহাকর্ষ তরঙ্গস্থানকে বিকৃত করে ১০-২০ গুণ। এর মানে হলো আপনার কাছে যদি ১০২০ মিলিমিটার লম্বা একটি লাঠি থাকে, আর তার ভেতর দিয়ে মহাকর্ষ তরঙ্গ চলে যায়, তাহলে লাঠিটা ছোট হবে মাত্র এক মিলিমিটার। এই সংকোচন এতই ছোট যে তা শনাক্ত করা বেশ কঠিন। তবে বিজ্ঞানীরা কম যান না। তাঁরা বেশ স্মার্ট, বুদ্ধিমান আর ধৈর্যশীলও বটে। তাই তাঁরা মহাকর্ষ তরঙ্গ শনাক্ত করার উপায়ও বের করেছেন। এমনই পরীক্ষা চালানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের লাইগোতে। লাইগোর পূর্ণ রূপ লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ অবজারভেটরি। সেখানে চার কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দুটি টানেল পরস্পরের সমকোণে স্থাপন করা হয়েছে। টানেলের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত দূরত্বের পরিবর্তন মাপার জন্য আছে একটি লেজার। মহাকর্ষ তরঙ্গ এর ভেতর দিয়ে চলে গেলে সেখানকার স্থান একদিকে প্রসারিত হয়, আবার অন্যদিকে সংকুচিত হয়। তার প্রভাব টানেলের লেজার রশ্মিতেও পড়বে। লেজার রশ্মির ব্যতিচার পরিমাপ করে পদার্থবিদেরা নিশ্চিত হন, কোনো মহাকর্ষ তরঙ্গ সেখানকার স্থানকে সংকুচিত ও প্রসারিত করেছে কি না। যুক্তরাষ্ট্রের দুটি জায়গায় প্রায় ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচে এ রকম দুটি টানেল স্থাপন করা হয়। ২০১৬ সালে সেখানে প্রথমবার মহাকর্ষ তরঙ্গ শনাক্ত করেন বিজ্ঞানীরা। প্রায় ১০০ বছর আগে এমন তরঙ্গের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন আইনস্টাইন। তবে এখান থেকে মহাকর্ষ কীভাবে কাজ করে, সে ব্যাপারে কোনো কোয়ান্টাম চিত্র পাওয়া যায় না। কারণ, মহাকর্ষ তরঙ্গ আর মহাকর্ষ কণা বা গ্র্যাভিটন এক জিনিস নয়। এটা অনেকটা আলোর অস্তিত্ব প্রমাণ করার মতো, আলো যে ফোটন দিয়ে তৈরি, তা প্রমাণ করা নয়। তবু একে অনেক বড় ধরনের আবিষ্কার বলতেই হবে। তাহলে রহস্যময় মহাকর্ষের সঠিক ব্যাখ্যা কী? এই বলটা দুর্বল কেন? কেন সেটি অন্য বলগুলোর মতো নয়? এর কারণ এমনও হতে পারে, মহাকর্ষ হয়তো বিশেষ কোনো বল। মহাকর্ষকে অন্য বলের মতো হতে হবে কিংবা একটিমাত্র তত্ত্ব দিয়েই সবকিছু ব্যাখ্যা করতে হবে, এমনটা না–ও হতে পারে। বড় দৃষ্টিভঙ্গির দিকে আমাদের মন খোলা রাখতে হবে। কারণ, মহাবিশ্বের মৌলিক কিছু সত্য সম্পর্কে আমরা এখনো অন্ধকারে রয়ে গেছি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা এমন কিছু অনুমান করেছি, যা পরবর্তী সময়ে ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে। কিংবা নিদি৴ষ্ট বা বিশেষ কিছু শর্ত সাপেক্ষে তা সত্য। এমনও হতে পারে, আমাদের আগের জানা যেকোনো কিছুর চেয়ে মহাকর্ষ ভিন্ন কিছু। যার কথা আমরা আগে কখনো ভাবতে পারিনি। কিংবা কে জানে উল্টোটাও হয়তো সত্যি। মনে রাখতে হবে, আমাদের লক্ষ্য হলো মহাবিশ্বকে সঠিকভাবে বুঝতে পারা। তাই এটা আসলে কেমন, সে সম্পর্কে অনেক বেশি অনুমান করা বাদ দিতে হবে। কখনো যদি দেখা যায়, মহাকর্ষ বিশেষ কিছু এবং অন্যান্য মৌলিক বলের চেয়ে এটা একেবারেই আলাদা, সেটিই জোগান দিতে পারে মহাবিশ্বের বৃহৎ চিত্র সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ক্লু। এর মানে হয়তো মহাকর্ষ গভীর কিছু, যা মহাবিশ্বের নকশার মধ্যে গেঁথে আছে। মাঝেমধ্যে আমরা নিয়ম ছাড়াও ব্যতিক্রম থেকেও অনেক বেশি শিখতে পারি। এসব রহস্য ব্যাখ্যায় আমাদের কাছে বর্তমানে আইডিয়ারও কমতি নেই। মহাকর্ষের দুর্বলতা ব্যাখ্যার জন্য মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো একটি আইডিয়া হলো অতিরিক্ত মাত্রার ধারণা। এ ধারণামতে, আমরা চার মাত্রা নয়, তার চেয়ে বেশি মাত্রার বিশ্বে বাস করি। কিছু পদার্থবিদ বলেন, মহাকর্ষ অন্য মাত্রাগুলোতে চলে যাওয়ার কারণে দুর্বল হয়ে গেছে। অতিরিক্ত মাত্রাগুলোকে আমলে নিলে মহাকর্ষ আসলে অন্য বলগুলোর মতোই শক্তিশালী। কিন্তু সেটিও ঠিক নয়, বেঠিক তা প্রমাণ করার উপায়ও এখনো আমাদের জানা নেই। তাই মহাকর্ষ এখনো আমাদের কাছে বড় একটি রহস্য। মহাকর্ষের এই রহস্য বোঝা সম্ভব হলে মহাবিশ্ব ও চারপাশের জগৎকে বোঝার ক্ষেত্রে অনেক বড় প্রভাব পড়বে। মনে রাখতে হবে, মহাকর্ষ বিশাল বিপুল দূরত্বে কাজ করতে পারে। এটিই একমাত্র ও প্রধানতম বল, যা মহাবিশ্বের আকৃতি এবং তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। মহাকর্ষ যে স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দেয়, সেটিও কিছু চমৎকার সম্ভাবনার ইঙ্গিত করে। এই মুহূর্তে আমাদের পক্ষে এই সৌরজগতের বাইরে অন্য কোনো নক্ষত্র ব্যবস্থায় যাওয়া সম্ভব নয়। কারণ, আমাদের পাশ্ব৴বর্তী নক্ষত্রের দূরত্বও অনেক বেশি। কিন্তু মহাকর্ষের রহস্য ভেদ করা সম্ভব হলে হয়তো স্থানকে কীভাবে বাঁকাতে হয় কিংবা ওয়ার্মহোল কীভাবে তৈরি করতে হয় বা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তা বুঝে ফেলতে পারব। সেটি সম্ভব হলে মহাবিশ্বের আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়ানোর আমাদের এত দিনের যে অদম্য ইচ্ছা, তা একদিন সত্যি হতে পারে। তখন স্থান-কালের চাদর ভাঁজ করে মহাবিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চলে যাওয়া যাবে চোখের পলকে। সেটি সত্যে পরিণত করার মূল চাবিকাঠি হলো মহাকর্ষ। কাজেই রহস্যময় হলেও মহাকর্ষ বল শুধু আমাদের মাটিতে আটকে রাখে, সে কথা কে বলল! বড় প্রেম যেমন শুধু কাছে টানে না, দূরেও ঠেলে, বিপুল পরিসরের মহাকর্ষ বলও তাই। এই বলের কাঁধে চেপে হয়তো আমরা আকাশ-বাতাস, গ্রহ-তারকা ভেদ করে একদিন দূরে, বহুদূরে চলে যেতে পারব। আর সেই সম্ভাবনা নির্ভর করছে ভবিষ্যতের কোনো বিজ্ঞানীর হাতে মহাকর্ষের রহস্য সমাধানের ওপর। কে জানে, এই লেখার পাঠকদের মধ্যেই হয়তো লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের সেই বিজ্ঞানী। লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, বিজ্ঞানচিন্তা সূত্র: উই হ্যাভ নো আইডিয়া/ জর্জ চ্যাম ও ড্যানিয়েন হোয়াইটসন; গ্র্যাভিটি/মার্কাস চোন; উইকিপিডিয়া মহাকাশ থেকে আরও পড়ুন মহাকাশ বিজ্ঞানচিন্তা পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা মহাকাশ বিজ্ঞানচিন্তা নিয়ে আরও পড়ুন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল ক্যামেরার জাদুকরী অভিযান ১৮ জুলাই ২০২৬ নিউজার্সির বাসিন্দার ছাদ ফুঁড়ে ঘরে পড়ল গ্রহাণু ১৬ জুলাই ২০২৬ নক্ষত্রের সংজ্ঞা বদলে দেওয়ার মতো বস্তুর খোঁজ মিলেছে মহাকাশে ০৯ জুলাই ২০২৬ মৃত্যুদূতের নাম গ্রহাণু – ৮ ০৮ জুলাই ২০২৬ মহাকাশ বিজ্ঞানচিন্তা নিয়ে আরও পড়ুন মহাকর্ষ তরঙ্গ কি ঘটনা দিগন্তের গবেষণায় নতুন দিশা দেখাবে ০৭ জুলাই ২০২৬ ৩২০০ পাউন্ডের মানমন্দির আছড়ে পড়বে পৃথিবীতে, শুরু হলো উদ্ধার অভিযান ০৭ জুলাই ২০২৬ মঙ্গল গ্রহের এক বছরের সিমুলেশনের জন্য স্বেচ্ছাসেবী নিচ্ছে নাসা ০৪ জুলাই ২০২৬ নভোচারীদের একটি স্পেসস্যুটের ওজন কত ২৯ জুন ২০২৬ ৫,০০০ আপনার স্মৃতিগুলো কি নিছকই বিভ্রম? বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, স্মৃতিগুলো এলোমেলো ওঠানামা থেকে উদ্ভূত হয়। সেটা শৈশবের কোনো প্রিয় স্মৃতিই হোক বা সকালের নাস্তায় কী খেয়েছিলেন সেই সাধারণ জ্ঞানই হোক, আমাদের স্মৃতিগুলোকেই প্রায়শই একমাত্র নিশ্চিত বিষয় বলে মনে হয়। কিন্তু, একদল শীর্ষস্থানীয় পদার্থবিজ্ঞানীর মতে, আপনার সমস্ত স্মৃতিই নিছক একটি বিভ্রম হতে পারে। এই সাহসী তত্ত্ব অনুসারে, আপনার সমস্ত স্মৃতি অতীতের বাস্তব কোনো ঘটনার চেয়ে বরং মহাকাশের এলোমেলো ওঠানামা থেকেই উদ্ভূত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এর অর্থ দাঁড়ায়, আপনার জীবন ও জগৎ সম্পর্কে বর্তমানে আপনার যা কিছু মনে আছে, বাস্তবতার সাথে তার সম্পর্ক আপনার কল্পনাতীত বড় স্বপ্ন ও কল্পনার চেয়ে বেশি নয়। বিজ্ঞানী ও দার্শনিকরা অস্ট্রিয়ান গণিতবিদ লুডভিগ বোল্টজম্যানের নামানুসারে এই ধারণাটিকে 'বোল্টজম্যান ব্রেইন হাইপোথিসিস' বলে অভিহিত করেন। এই ধারণাটি হলো যে, সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিস্থিতিটি হলো, আপনার মস্তিষ্ক তার সমস্ত স্মৃতিসহ এই মুহূর্তেই এলোমেলো বিশৃঙ্খলার মধ্য থেকে অস্তিত্বে এসেছে। এটা পাগলামি মনে হতে পারে; তবে, এই বিজ্ঞানীরা যুক্তি দেন যে এটি আমাদের পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়মগুলোর একটি দুর্ভাগ্যজনকভাবে অনিবার্য পরিণতি। 'এন্ট্রপি' জার্নালে প্রকাশিত তাদের গবেষণাপত্রে বিজ্ঞানীরা বলেছেন: 'বর্তমানে, বোল্টজম্যান ব্রেইন হাইপোথিসিসের সম্ভাবনাকে খণ্ডন করার জন্য শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠিত পদার্থবিজ্ঞানের উপর নির্ভরশীল কোনো সম্পূর্ণ কঠোর যুক্তি নেই।' খুব সহজভাবে বলতে গেলে, বোল্টজম্যান ব্রেইন হাইপোথিসিসের পেছনের ধারণাটি হলো, যথেষ্ট সময় পেলে কণার একটি এলোমেলো সংগ্রহ যেকোনো সম্ভাব্য কাঠামোর জন্ম দিতে পারে। সেই সম্ভাব্য কাঠামোগুলোর মধ্যে এই মুহূর্তে আপনার মস্তিষ্কের সঠিক বর্তমান অবস্থাও অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে আপনার সমস্ত স্মৃতি, বিশ্বাস, চিন্তা এবং আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। সহ-লেখক, সান্তা ফে ইনস্টিটিউটের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ডঃ কার্লো রোভেলি ডেইলি মেইলকে বলেছেন: 'কল্পনা করুন, সুদূর ভবিষ্যতে মহাবিশ্ব একটি সমজাতীয় গরম স্যুপে পরিণত হয়েছে যেখানে জিনিসগুলো এলোমেলোভাবে ওঠানামা করে।' কল্পনা করুন যে, নিছক দৈবক্রমে, আপনার বর্তমান স্মৃতি ও উপলব্ধি সহ আপনার মতো একটি মস্তিষ্ক তৈরি হলো, যা মুহূর্ত পরেই আবার সেই মিশ্রণে বিলীন হয়ে গেল। সুদূর ভবিষ্যতের অসীম সময়ে, এমন একটি মস্তিষ্কের উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা বেশ প্রবল, তাই প্রশ্ন হলো, আপনি বর্তমানে সেরকম একটি মস্তিষ্ক কি না। স্বাভাবিকভাবেই মনে হয় যে, আমাদের মস্তিষ্ক ও স্মৃতির বাস্তব হওয়ার সম্ভাবনার তুলনায় এমন একটি মস্তিষ্কের উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা অসম্ভব রকমের কম। তবে, পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মের এক অদ্ভুত পরিণতির কারণে, আপনি যে আসলে একটি বোল্টজম্যান মস্তিষ্ক, তার সম্ভাবনা প্রায় অসীম গুণ বেশি। সমস্যা হলো, এই বোল্টজম্যান মস্তিষ্কের ধারণাটি এমন একটি বিষয় থেকে সরাসরি এসেছে বলে মনে হয়, যা প্রায় সকল বিজ্ঞানীই সত্য বলে মেনে নিয়েছেন। 'বোল্টজম্যান ব্রেইন হাইপোথিসিস' নামক একটি ভয়ঙ্কর তত্ত্ব অনুযায়ী, আমাদের স্মৃতি বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করার চেয়ে, অন্যথায় শূন্য এক মহাবিশ্বের মধ্যে দৈবচয়নের ফলে আমাদের মস্তিষ্কের অস্তিত্বে আসার সম্ভাবনাই বেশি (স্টক ছবি)। তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী, কোনো সিস্টেমের মোট বিশৃঙ্খলা বা 'এনট্রপি' সময়ের সাথে সাথে সর্বদা বৃদ্ধি পায় – যেমন একটি ঘর সময়ের সাথে সাথে আরও অগোছালো হতে থাকে। কিন্তু, আমাদের আধুনিক পদার্থবিদ্যাকে সঠিকভাবে কাজ করার জন্য, এই নিয়মটিকে সময়ের সাপেক্ষে 'প্রতিসম' হতে হবে। এর অর্থ হলো, যেকোনো নির্দিষ্ট মুহূর্তে, পৃথিবী সম্ভবত ভবিষ্যৎ এবং অতীত উভয় সময়েই আরও বেশি বিশৃঙ্খল ছিল। সান্তা ফে ইনস্টিটিউটের প্রধান লেখক অধ্যাপক ডেভিড ওলপার্ট এবং তাঁর সহ-লেখকরা ব্যাখ্যা করেন: 'অন্য কথায়, বর্তমান পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিস্থিতি হলো, আমরা ঘটনাক্রমে মহাবিশ্বের এনট্রপির গতিবিদ্যার একটি বিশেষ বিন্দুতে অবস্থান করছি।' অন্য কথায়, সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিস্থিতি হলো আমরা কেবলই একটি এনট্রপি ফ্লাকচুয়েশন, অর্থাৎ আমরা একটি বোল্টজম্যান ব্রেইন। এর একটি অদ্ভুত তাৎপর্য হলো, যা কিছু ঘটেছে তার প্রকৃত স্মৃতির চেয়ে আমাদের স্মৃতিগুলো মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনাই অনেক বেশি। তবে, বিজ্ঞানীরা যুক্তি দেন যে এই ধরনের একটি অনুমান নিয়ে আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত নয়। সহ-লেখক ডঃ জর্ডান শার্নহর্স্ট ডেইলি মেইলকে বলেছেন: 'যদিও আমরা প্রমাণ করতে পারি না যে আমরা বোল্টজম্যান ব্রেইন নই, তবে আমরা যে তাই, এমনটা বিশ্বাস করারও কোনো কারণ আমাদের নেই।' বিজ্ঞানীরা বলেন যে, সাই-ফাই ক্লাসিক 'দ্য ম্যাট্রিক্স'-এর মতো আমাদের জীবন যে একটি বিভ্রম, তা পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম থেকেই উদ্ভূত হয়। এই অর্থে, ডঃ শার্নহর্স্ট বলেন যে বোল্টজম্যান ব্রেইন অনুমানটি 'অবৈজ্ঞানিক', অর্থাৎ কোনো পরিমাণ প্রমাণ দিয়েই এটি প্রমাণ বা অপ্রমাণ করা যায় না। তিনি আরও বলেন, ‘সেই মুহূর্তে, এটি সিমুলেশন হাইপোথিসিসের মতো হয়ে যায় - সম্পূর্ণ গুরুত্বহীন জল্পনা এবং উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।’ তাঁদের গবেষণাপত্রে, গবেষকরা সম্ভাবনা এবং এলোমেলোতার অধ্যয়নের সরঞ্জাম ব্যবহার করে বোল্টজম্যান ব্রেইন হাইপোথিসিসের উপাদান অংশগুলো বিশ্লেষণ করেছেন। এই ফলাফলগুলো যা দেখায় তা হলো, আমরা যে বোল্টজম্যান ব্রেইন নই, সে বিষয়ে আমাদের একমাত্র আস্থা আসে বিগ ব্যাং তত্ত্বের ওপর আমাদের আস্থা থেকে। ডঃ রোভেলি বলেন: ‘সাধারণত আমরা ধরে নিই যে আমাদের স্মৃতি নির্ভরযোগ্য: এগুলো আমাদের মস্তিষ্কের এলোমেলো ওঠানামা নয়। এই অনুমানকে ভিত্তি দিতে, আমাদের ধরে নিতে হবে যে.অতীতের এনট্রপি সম্পর্কে কিছু কথা। যদি মহাবিশ্বের একটি নির্দিষ্ট সূচনা বিন্দু থাকে যেখানে বিশৃঙ্খলার মাত্রা স্থির, তবে আমরা সময়ের সাথে নিজেদের অবস্থান নির্ণয় করতে পারি এবং দেখাতে পারি যে আমরা কেবল বিশৃঙ্খলার মধ্যে একটি এলোমেলো ওঠানামা নই। বিংশ শতাব্দীতে কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ডের মাধ্যমে বিগ ব্যাং আবিষ্কারের আগে, আমাদের স্মৃতি যে মিথ্যা, এই ধারণাটি তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্রের মতোই সুনিশ্চিত ছিল। তবে, বিগ ব্যাং সম্পর্কে আমরা এখন যা জানি, তার জন্য ধন্যবাদ, ডঃ রোভেলি বলেন, 'এটা স্পষ্ট যে আমরা বোল্টজম্যান মস্তিষ্ক নই।'..’ Are your memories merely illusions? Scientist claims recollections arise from random fluctuations Whether it is a beloved childhood recollection or the simple knowledge of what you had for breakfast, our memories often seem like the only things we can be certain of. But, according to a group of leading physicists, all of your memories could merely be an illusion. According to this bold theory, all of your recollections are more likely to arise from random fluctuations in space than from real past events. That would mean everything you currently remember about your life and the world has no more bearing on reality than your wildest dreams and fantasies. Scientists and philosophers call this idea the Boltzmann Brain hypothesis, after the Austrian mathematician Ludwig Boltzmann. It is the idea that the most likely situation is that your brain, complete with all its memories, sprang into existence at this very moment out of random chaos. That might seem crazy; however, these scientists argue that it is an unfortunately unavoidable consequence of our most important laws of physics. In their paper, published in the journal Entropy, the scientists say: 'At present, there is no fully rigorous argument that relies only on established physics to dispel the possibility of the BB [Boltzmann Brain] hypothesis.' o put it very simply, the idea behind the Boltzmann Brain hypothesis is that a random collection of particles can give rise to any possible structure given enough time. Those possible structures include the exact current state of your brain at this very moment, including all your memories, beliefs, thoughts and desires. Co-author Dr Carlo Rovelli, a theoretical physicist from the Santa Fe Institute, told the Daily Mail: 'Imagine in the distant future the universe has evolved into a homogeneous hot soup where things randomly fluctuate. 'Imagine that a fluctuation builds up, just by random chance, a brain like yours, with your present memories and your present perceptions, which nevertheless a moment later dissipates again in the soup.' In the infinite time of the distant future, its is quite likely that such a brain will occur so the question is whether you currently are such a brain. Intuitively, it seems that the odds of such a brain occurring are impossibly small compared to the chances of our brains and memories being real. However, a bizarre consequence of the laws of physics means that it is almost infinitely more likely that you are, in fact, a Boltzmann Brain. The problem is that this Boltzmann Brain hypothesis appears to come directly from something that almost all scientists agree is true. A terrifying theory called the 'Boltzmann Brain hypothesis' suggests it is more likely that our brain popped into being from a random fluctuation in an otherwise empty universe than that our memories reflect reality (stock image) The second law of thermodynamics states that the total disorder, or 'entropy', of a system always increases over time – like a room that's always getting messier over time. But, in order for our modern physics to work properly, this rule has to be 'symmetrical' with respect to time. That means, at any particular moment, the world was likely more disordered both in the future and the past. Lead author Professor David Wolpert, of the Santa Fe Institute, and his co–authors explain: 'In other words, the most probable situation, given the current observations, is that we happen to be precisely at a special point in the dynamics of the universe’s entropy. 'In other words, the most probable situation is that we are just an entropy fluctuation, which is to say that we are a BB [Boltzmann Brain].' This has the strange implication that it is far more likely that our memories are false than genuine recollections of things that happened. However, the scientists argue that we shouldn't be worried about such a hypothesis. Co-author Dr Jordan Scharnhorst told the Daily Mail: 'Although we cannot prove that we are not Boltzmann Brains, we have no reason to believe that we are.' Scientists say that the fact that our lives are an illusion, like in the sci–fi classic The Matrix, arises from the laws of physics In this sense, Dr Scharnhorst says that the Bolzmann Brain hypothesis is 'unscientific', meaning that it can't be proved or disproved with any amount of evidence. 'At that point, it becomes like the simulation hypothesis - totally inconsequential speculation and not worth any anxiety,' he adds. In their paper, the researchers analyse the component parts of the Boltzmann Brain hypothesis with tools from the study of probability and randomness. What these results show is that the only confidence we could have that we are not Boltzmann Brains comes from the confidence we have in the Big Bang theory. Dr Rovelli says: 'Dr Roveli says: 'Generally we tend to assume that our memories are reliable: they are not random fluctuations in our brain. To ground this assumption, we have to assume something about the entropy in the past. If the Universe has a definitive start point with a fixed level of disorder, we can orient ourselves in time and show that we aren't just a random fluctuation in chaos. Prior to the discovery of the Big Bang through the Cosmic Microwave Background in the 20th Century, the idea that our memories were false was just as certain as the second law of thermodynamics. However, thanks to what we now know about the Big Bang, Dr Rovelli says 'it is clear we are not Boltzmann brains.'

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

The science-policy imperative in the final stretch to 2030 and beyond

Any support whether through donating, sharing our campaign, or keeping us in your prayers can make a real difference for us during this difficult time. If you are able to help or share, here is our campaign link: https://gogetfunding.com/from-death-to-life-evacuate-my-family-from-gaza/

Israeli Airstrike Destroys Al-Muttaqin Mosque Near Gaza Displacement Camp